প্রথমদিন মসজিদে যা যা করবেনঃ
- ইক্বামতের আগে এতটুকু সময় হাতে নিয়ে মসজিদে যাবেন যেন বাচ্চা এই নতুন পরিবেশ ও নতুন জায়গায় ধাতস্থ হওয়ার সময়টুকু পায়। একেবারে দৌড়ে গিয়ে নামাযে দাঁড়িয়ে গেলে তার অজানা ভয়-আশঙ্কা কিংবা আড়ষ্টতা কাটবে কীভাবে ?
- যথাসম্ভব সুন্দর ও পরিষ্কার কাপড় পরিয়ে নিয়ে যাবেন। নতুন কাপড় হলে আরও ভাল। এতে বাচ্চার মনে একটা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব থাকে যে, সে খুব বিশেষ কোন কাজে যাচ্ছে।
- সালাত শুরুর পূর্বেই ইমাম সাহেব ও মুয়াজ্জিনের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দিন। পূর্বে পারিবারিক অনুষ্ঠানে ইমাম সাহেবের সাথে পরিচয় হলেও আজকে আবার দেখা করিয়ে দিন। যেন কোন রকম সমস্যা-সংশয় কিংবা প্রশ্ন নিয়ে সে নির্দ্বিধায় এই “ইমাম আঙ্কেল” এর কাছে আসতে পারে। এজন্য ইমাম সাহেব ও মুয়াজ্জিনদেরও ভূমিকা রাখতে হবে।
- সালাতের পর সাথে সাথে না বেরিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। বাচ্চাকে মসজিদের পরিবেশে খাপ খাওয়ানোর মত সময় দিন। বাবারা যদি নিজে বাচ্চার হাত ধরে পুরো মসজিদ ঘোরাতে পারেন (বিশালায়তনের মসজিদের ক্ষেত্রে) তাহলে সবচেয়ে ভাল।
- মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি আঙ্কেলদের সাথে বাচ্চার পরিচয় করিয়ে দিন। এতে সে ভবিষ্যতেও মসজিদে আসলে অচেনা অনুভব করবে না।
যে কোন মুসলিম বাবা-মার জীবনের চরম চাওয়া থাকে তার সন্তানদেরকে দ্বীন ইসলামের উপর প্রতিষ্ঠিত রেখে যাওয়া। আর এই চাওয়াকে পাওয়ায় পরিণত করতে হলে একেবারে শৈশবেই সন্তানদের মাঝে দ্বীনের বীজ বপন করতে হবে যার উপযুক্ত বীজতলা হচ্ছে মসজিদ। আল্লাহ আমাদেরকে একটি মসজিদমুখী প্রজন্ম দান করুন। আমীন। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।



0 Comments:
Post a Comment